ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

LANDOWNER: NIKETON NICE

ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম ১৯৫০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রী অর্জন করতঃ ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭৮ সালে সৌদি সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চাকুরি নিয়ে সৌদিআরবে গমন করেন। কর্মজীবনের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৮৫ সালে লন্ডন থেকে ডি.সি.এইচ ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি আমাদের ‘নিকেতন নাইস’ এর সম্মানিত ল্যান্ডওনার। এস.ই.এল. এর ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে তার সাথে কথা বলেছেন- আমানুল্লাহ নোমান

এস.ই.এল. এর কোয়ালিটি ও কমিটমেন্ট খুব ভালো। যা বলেছে তা করেছে। ঢালাইগুলো পাথরের দেয়ার কথা বলেছে তা দিয়েছে। যে সময়ে হস্তান্তর করার কথা বলেছে ঠিক সে সময়ে হস্তান্তর করেছে। প্রজেক্ট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোন কালক্ষেপন করেনি।

এস.ই.এল. বার্তা ঃ এস.ই.এল. এর সাথে পরিচয়ের সূত্রপাত সম্পর্কে বলুন।

ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম ঃ এস.ই.এল. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিঃ আব্দুল আউয়াল সাহেব এর সাথে আমার ছোট ভাই মরহুম ইঞ্জিনিয়ার এ.জেড.এম. আমিরুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার কফিল উদ্দিন আহমেদ এর পূর্ব পরিচয় ছিল। একসময় ওনারা একসাথে বিসিএল এ কর্মরত ছিলেন। আমি যখন সৌদি আরবে ছিলাম তখন বাংলাদেশে ফ্ল্যাট নির্মাণের ধারনাটি আজকের মতো এতটা বিকশিত হয়নি। আমি ওনাদের কাছে দেশে ভালো এবং বিশ্বস্ত একজন ডেভেলপারের সন্ধান চেয়েছিলাম। ওনারা আমাকে ইঞ্জিঃ মোঃ আব্দুল আউয়াল সাহেবের কাছে নিয়ে আসলেন। তখন এস.ই.এল. অফিস ছিল এ্যলিফ্যান্ট রোডে। এভাবেই এস.ই.এল. এর সাথে আমার পরিচয়ের সূত্রপাত।

এস.ই.এল. বার্তা ঃ ডেভেলপার হিসেবে এস.ই.এল.-কে কেন পছন্দ করলেন?

ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম ঃ নিকেতনে এস.ই.এল. এর ‘নিকেতন নেস্ট’ নামে একটি প্রজেক্ট আছে। প্রজেক্টটি দেখে আমার কাছে খুব ভালো লেগেছিল। ইঞ্জিঃ মোঃ আব্দুল আউয়াল সাহেবের সাথে কথা বলে তাকে আমার খুব নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে। এসব মিলিয়ে আমি এস.ই.এল.-কে পছন্দ করেছি।

এস.ই.এল. বার্তা ঃ এস.ই.এল. এর কোয়ালিটি ও কমিটমেন্ট সম্পর্কে কিছু বলুন।

ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম ঃ এস.ই.এল. এর কোয়ালিটি ও কমিটমেন্ট খুব ভালো। যা বলেছে তা করেছে। ঢালাইগুলো পাথরের দেয়ার কথা বলেছে তা দিয়েছে। যে সময়ে হস্তান্তর করার কথা বলেছে ঠিক সে সময়ে হস্তান্তর করেছে। প্রজেক্ট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোন কালক্ষেপন করেনি। আমার বাড়ির কাজ যখন চলছিল তখন আমি প্রথম প্রথম কয়েকবার সাইটে গিয়েছিলাম। কাজ দেখে আমি সন্তুষ্ট এবং আশ্বস্ত হয়েছি। পরবর্তীতে আর আমি সাইটের যাওয়ার প্রয়োজনবোধ করিনি। আমার এ আস্থা এস.ই.এল. অর্জন করেছে তার কাজের কোয়ালিটি ও কমিটমেন্ট এর মাধ্যমে।

এস.ই.এল. বার্তা ঃ এস.ই.এল. এর কোন দিকটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে?

ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম ঃ এস.ই.এল. এর কমিটমেন্ট এর বিষয়টি খুব গুরুত্ব দেয়। কথা দিয়ে কথা রাখে। আর চলমান আফটার সেলস্ সার্ভিস অত্যন্ত সন্তোষজনক। আমার ‘নিকেতন নাইস’ বাড়িতে আমি থাকি না। সব ফ্ল্যাট ভাড়া দেয়া। ওখানে ভাড়াটিয়ারা যারা আছে তারা সকলেই আফটার সেলস্ সার্ভিসে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

এস.ই.এল. বার্তা ঃ এস.ই.এল. জন্য আপনার পরামর্শ কী?

ডাঃ এ.টি.এম. নজরুল ইসলাম ঃ এস.ই.এল. এখন অনেক বড় প্রতিষ্ঠান। এ পর্যন্ত আস্থা ও সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছে। এখন কাজ হচ্ছে অর্জিত আস্থা ও সুনাম ধরে রাখা। দক্ষতার সাথে অর্জিত সুনাম ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে এস.ই.এল. আরো অনেকদূর এগিয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ।