ড.এ.কে.এম. নজরুল ইসলাম, প্রাক্তণ অধ্যাপক (ঢা.বি)

LANDOWNER: SEL TARU CHAYA

ড. এ.কে.এম নজরুল ইসলাম। ১৯৪৮ সালে মোমেনশাহী জেলার মুক্তগাছা উপজেলার তারাটী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬২ সালে আর.কে. হাইস্কুল থেকে মেট্টিকুলেশন ও ১৯৬৪ সালে আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ইন্টারমেডিয়েট পাশ করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করে বিএসসি সম্মান এবং ১৯৬৮ সালে এমএসসি পাশ করেন। একই বছরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগে (উদ্ভিদ বিজ্ঞান) শিক্ষতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৭৬ সালে যুক্তরাজ্যের Sheffield University থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। দীর্ঘদিন অধ্যাপনায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি “SEL তরুছায়া” প্রকল্পের সম্মানিত ল্যান্ডওনার। তার সাথে SEL এর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেছেন- আমানুল্লাহ নোমান

SEL এ যারা চাকুরী করেন তাদের কথাবার্তা ও ব্যবহার বাস্তবিকই প্রশংসনীয়। সবাই যদি এ ধরনের ব্যবহার করেন আমার ধারণা তাহলে দেশে কোন সমস্যা থাকবে না। যখনই কোন কারণে অফিসে গিয়েছি ইঞ্জিঃ আউয়াল সাহেব ব্যস্ততার মাঝেও সময় নিয়ে কথা বলেছেন। ......... মোট কথা,  SEL-এর সবার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

SEL বার্তা :  SEL এর সাথে আপনার পরিচয় কীভাবে?

ড.এ.কে.এম. নজরুল ইসলাম : SEL এর সাথে পরিচয়ের ঘটনাটি একটু লম্বা। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (রুয়েট) এর সিন্ডিকেট সভায় সদস্য হিসেবে জনাব আব্দুল আউয়াল সাহেবের সাথে আমার প্রথম পরিচয়। পরবর্তীতে রুয়েটের সিন্ডিকেট মিটিং-এ আমরা ঢাকা থেকে  ওনার গাড়িতে করে যেতাম। আমাদের সাথে আরও যেতেন বুয়েটের অধ্যাপক আবু তাহের ও ইঞ্জিঃ খায়রুল বাশার। ঢাকা থেকে রুয়েট পৌঁছতে লম্বা সময় লাগতো। দীর্ঘ এ সময়ের ভ্রমণে ইঞ্জিঃ আব্দুল আউয়াল সাহেবের কথোপোকথন আমাকে মুগ্ধ করে। কথা প্রসঙ্গে আমি জেনেছি তিনি SEL এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাও ২০০৮ সালের দিকে। অর্থাৎ পরিচয় হওয়ার প্রায় এক বছর পরে। তখন আমি তাকে আমার উত্তরার জমির কথা জানালাম এবং বললাম যে, ২০০৭ সালের পুরাতন প্ল্যান অনুযায়ী প্ল্যান পাস করা আছে। তখন তিনি আমার কথা শুনে কিছু বলেননি। আমি স্বেচ্ছায় আরও ছয় মাস পরে তার কাছে পুনরায় বললাম। এর মধ্যে আমার  প্লটের পাশে অবস্থিত অবসরপ্রাপ্ত সচিব আব্দুল আলীম সাহেবের প্লট একত্র করার সিদ্ধান্তে উপনিত হই। কথা প্রসঙ্গে আমি আলীম সাহেবকে SEL এর কার্যক্রম এবং ইঞ্জিঃ আব্দুল আউয়াল সাহেবের কথা বলি। এরপরে একদিন আমি ও আলীম সাহেব SEL এর অফিসে এসে ইঞ্জিঃ আব্দুল আউয়াল সাহেবের সাথে কথা বলি। এভাবে আরও দু’দিন আলোচনা করে আলীম সাহেব আমাকে জানালেন আপনি আমাকে সৎ লোকের সন্ধান দিয়েছেন। আমাদের জমি SEL-কে দিব।

SEL বার্তা : ডেভেলপার হিসেবে SEL-কে কেন পছন্দ করলেন?

ড.এ.কে.এম. নজরুল ইসলাম : আমি পূর্বেই বলেছি SEL এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিঃ মোঃ আব্দুল আউয়াল সাহেবের সাথে কথোপোকথন আমাকে মুগ্ধ করেছে। মূলতঃ তার জন্যই SEL-কে পছন্দ করি। এমন একজন লোকের সাথে আমার আরও পূর্বে পরিচয় হলে ভালো হতো।

SEL বার্তা : SEL এর কমিটমেন্ট ও কোয়ালিটি সম্পর্কে কিছু বলুন?

ড.এ.কে.এম. নজরুল ইসলাম : SEL এর কমিটমেন্ট সম্পর্কে একটা উদাহরণ দিলেই পরিস্কার হবে। ২০১৪ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কাজ করা বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছিল। অফিস থেকে আমাকে টেলিফোন করে জানালেন ৮-১০ সপ্তাহ বিলম্ব হতে পারে। উত্তরে আমি বলেছিলাম ২০ সপ্তাহ বিলম্ব হলেও কোন সমস্যা নেই। SEL এর পক্ষ থেকে ৩-৪ মাস পর পর আমাকে কাজের কোয়ালিটি ও অগ্রগতি দেখতে আহŸান করতেন। আমি তিন-চার বার গিয়েছি এবং বলেছি ইঞ্জিঃ আউয়াল সাহেব যেখানে আছেন সেখানে আমার কিছু দেখার নেই। SEL আমাকে তাদের কথামত তিন-চার সপ্তাহ পরেই ফ্লাট হস্তান্তর করে। 

SEL বার্তা : SEL এর কোন দিকটা আপনার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।

ড.এ.কে.এম. নজরুল ইসলাম : আমি প্রথমেই বলবো SEL এর স্টাফদের কথা। SEL এ যারা চাকুরী করেন তাদের কথাবার্তা ও ব্যবহার বাস্তবিকই প্রশংসনীয়। সবাই যদি এ ধরনের ব্যবহার করেন আমার ধারণা তাহলে দেশে কোন সমস্যা থাকবে না। যখনই কোন কারণে অফিসে গিয়েছি ইঞ্জিঃ আউয়াল সাহেব ব্যস্ততার মাঝেও সময় নিয়ে কথা বলেছেন। আরও অনেকের নাম উলে­খ করা দরকার। আমি শুধু একজনের কথা বলছি- জনাব আব্দুস সালাম সাহেব। তিনি অতি অমায়িক ও ধার্মিক মানুষ। মোট কথা, SEL এর সবার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

SEL বার্তা : SEL এর জন্য কিছু পরামর্শ।

ড.এ.কে.এম. নজরুল ইসলাম : অর্জিত সুখ্যাতি ধরে রাখুন। সবশেষে আমি মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা কাছে SEL এর উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।